জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'সংগঠক একাত্তর: শাহ্ আব্দুল হামিদ'-'

সংগঠক একাত্তর: শাহ্ আব্দুল হামিদ

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বৃহস্পতিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

জহুরুল কাইয়ুম:

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গাইবান্ধা ডট নিউজ এর বিশেষ আয়োজন ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে ৭১র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গাইবান্ধার নানা ঘটনার স্মৃতিচারন - হৃদয়ে একাত্তর

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার শাহ্ আব্দুল হামিদ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খলসী গ্রামে ১৯০০ সালে এক সম্ভ্রান্ত কৃষিজীবী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন হাজী আব্দুল গফুর শাহ্ এবং মাতা রহিমা খাতুন।

শাহ্ আব্দুল হামিদ নিজ গ্রাম সংলগ্ন কাইয়াগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। পরে গোবিন্দগঞ্জ হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯১৬ সালে ঐ স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে এন্ট্রাস পাশ করেন। উক্ত শিক্ষার জন্য তিনি কোলকাতা গিয়ে রিপন কলেজে ভর্তি হন। সে সময় তিনি বেকার হোস্টেলে থাকতেন। ১৯১৮ সালে আই.এ পাশ করার পর তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে বি.এ-তে ভর্তি হন। কারমাইকেল কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে ১৯২০ সালে শাহ্ আব্দুল হামিদ বি.এ পাশ করেন। এরপর কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে এম.এ করার জন্য ভর্তি হন। ১৯২১-২২ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় যে ১৬ জন ছাত্র আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেছিলেন শাহ্ আব্দুল হামিদ ছিলেন তাঁদের মধ্যে একমাত্র মুসলিম ছাত্র। সে কারণে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস তাঁকে অভিনন্দিত করেন। আপাত ছাত্রজীবনের ইতি ঘটে শাহ্ আব্দুল হামিদের। বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগের পর নিজ গ্রামে ফিরে আসেন শাহ্ আব্দুল হামিদ। কিছুদিন পর পলাশবাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর হাইস্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯২৪ সালে আবার কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশাস্ত্রে ভর্তি হন। সেখান থেকে বি.এল পাশ করে এলাকায় ফিরে ১৯২৮ সালে গাইবান্ধা আদালতে আইন ব্যবসায় যোগ দেন। অল্পদিনের মধ্যেই শাহ্ আব্দুল হামিদ একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।

আইন ব্যবসার পাশাপাশি শাহ্ আব্দুল হামিদ রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে থাকেন। প্রথম দিকে তিনি ভারতীয় কংগ্রেসের সাথে যুক্ত থাকলেও ১৯৩৭ সালে ভারতীয় মুসলিম লীগে যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা মহকুমা মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪১ সালে মুসলিম লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি গোবিন্দগঞ্জ থানার পশ্চিম অঞ্চল হতে রংপুর জেলা বোর্ডের সদস্য পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। একই বছর প্রখ্যাত রাজনীতিক আবু হোসেন সরকার রংপুর জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শাহ্ আব্দুল হামিদ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তিনি ভাইস চেয়ারম্যানের দাযিত্ব পালন করেন। মুসলিম লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার সুবাদে তিনি প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশিম প্রমুখের ঘনিষ্ট সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৫ সালে পাকিস্তান ইস্যুতে ভারতব্যাপী যে নির্বাচন হয় তাতে শাহ্ আব্দুল হামিদ মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগের নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে ভারতীয় পার্লামেন্টে সদস্য নির্বাচিত হন। ঐ পার্লামেন্টে মুসলিম লীগের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্্, লিয়াকত আলী, আই.আই চুন্দ্রিগড়সহ মোট ৩০ জন নির্বাচিত হন। আর ভারতীয় কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত হন পন্ডিত জহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, জগজীবন রাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে শাহ্ আব্দুল হামিদ ও তমিজ উদ্দিন খান দিল্লীতে ২৯নং ফিরোজ শাহ্ রোডের একটি সরকারি বাসভবনে থাকতেন। ১৯৫৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। শাহ্ আব্দুল হামিদ ১৯৫৭-৬৬ সাল রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। এ সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং ব্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘনিষ্ট সংস্পর্শে আসেন। শাহ্ আব্দুল হামিদ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যূত্থানে তিনি রংপুরে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে শাহ্ আব্দুল হামিদ গোবিন্দগঞ্জ-পলাশবাড়ী এলাকা হতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। একাত্তরে মহকুমা সংগ্রাম কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ভারতে চলে যান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করতে ভূমিকা রাখেন। দেশ স্বাধীন হলে ডিসেম্বরের শেষ দিকে গাইবান্ধা ফিরে আসেন তিনি। বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রস্তাবে এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের সমর্থনে শাহ্ আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন। শাহ্ আব্দুল হামিদ রাজনীতির পাশাপাশি গাইবান্ধার শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

কর্মজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য স্মরণীয় শাহ্ আব্দুল হামিদ ১৯৭২ সালে ১ মে দিবাগত রাত সাড়ে বারটায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে গাইবান্ধা পৌর গোরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। 

-জহুরুল কাইয়ুম, সম্পাদক-হৃদয়ে একাত্তর, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

জহুরুল কাইয়ুম:

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গাইবান্ধা ডট নিউজ এর বিশেষ আয়োজন ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে ৭১র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গাইবান্ধার নানা ঘটনার স্মৃতিচারন - হৃদয়ে একাত্তর

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার শাহ্ আব্দুল হামিদ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খলসী গ্রামে ১৯০০ সালে এক সম্ভ্রান্ত কৃষিজীবী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন হাজী আব্দুল গফুর শাহ্ এবং মাতা রহিমা খাতুন।

শাহ্ আব্দুল হামিদ নিজ গ্রাম সংলগ্ন কাইয়াগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। পরে গোবিন্দগঞ্জ হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯১৬ সালে ঐ স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে এন্ট্রাস পাশ করেন। উক্ত শিক্ষার জন্য তিনি কোলকাতা গিয়ে রিপন কলেজে ভর্তি হন। সে সময় তিনি বেকার হোস্টেলে থাকতেন। ১৯১৮ সালে আই.এ পাশ করার পর তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে বি.এ-তে ভর্তি হন। কারমাইকেল কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে ১৯২০ সালে শাহ্ আব্দুল হামিদ বি.এ পাশ করেন। এরপর কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে এম.এ করার জন্য ভর্তি হন। ১৯২১-২২ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় যে ১৬ জন ছাত্র আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেছিলেন শাহ্ আব্দুল হামিদ ছিলেন তাঁদের মধ্যে একমাত্র মুসলিম ছাত্র। সে কারণে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস তাঁকে অভিনন্দিত করেন। আপাত ছাত্রজীবনের ইতি ঘটে শাহ্ আব্দুল হামিদের। বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগের পর নিজ গ্রামে ফিরে আসেন শাহ্ আব্দুল হামিদ। কিছুদিন পর পলাশবাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর হাইস্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯২৪ সালে আবার কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশাস্ত্রে ভর্তি হন। সেখান থেকে বি.এল পাশ করে এলাকায় ফিরে ১৯২৮ সালে গাইবান্ধা আদালতে আইন ব্যবসায় যোগ দেন। অল্পদিনের মধ্যেই শাহ্ আব্দুল হামিদ একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।

আইন ব্যবসার পাশাপাশি শাহ্ আব্দুল হামিদ রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে থাকেন। প্রথম দিকে তিনি ভারতীয় কংগ্রেসের সাথে যুক্ত থাকলেও ১৯৩৭ সালে ভারতীয় মুসলিম লীগে যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা মহকুমা মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪১ সালে মুসলিম লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি গোবিন্দগঞ্জ থানার পশ্চিম অঞ্চল হতে রংপুর জেলা বোর্ডের সদস্য পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। একই বছর প্রখ্যাত রাজনীতিক আবু হোসেন সরকার রংপুর জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শাহ্ আব্দুল হামিদ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তিনি ভাইস চেয়ারম্যানের দাযিত্ব পালন করেন। মুসলিম লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার সুবাদে তিনি প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশিম প্রমুখের ঘনিষ্ট সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৫ সালে পাকিস্তান ইস্যুতে ভারতব্যাপী যে নির্বাচন হয় তাতে শাহ্ আব্দুল হামিদ মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগের নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে ভারতীয় পার্লামেন্টে সদস্য নির্বাচিত হন। ঐ পার্লামেন্টে মুসলিম লীগের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্্, লিয়াকত আলী, আই.আই চুন্দ্রিগড়সহ মোট ৩০ জন নির্বাচিত হন। আর ভারতীয় কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত হন পন্ডিত জহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, জগজীবন রাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে শাহ্ আব্দুল হামিদ ও তমিজ উদ্দিন খান দিল্লীতে ২৯নং ফিরোজ শাহ্ রোডের একটি সরকারি বাসভবনে থাকতেন। ১৯৫৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। শাহ্ আব্দুল হামিদ ১৯৫৭-৬৬ সাল রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। এ সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং ব্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘনিষ্ট সংস্পর্শে আসেন। শাহ্ আব্দুল হামিদ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যূত্থানে তিনি রংপুরে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে শাহ্ আব্দুল হামিদ গোবিন্দগঞ্জ-পলাশবাড়ী এলাকা হতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। একাত্তরে মহকুমা সংগ্রাম কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ভারতে চলে যান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করতে ভূমিকা রাখেন। দেশ স্বাধীন হলে ডিসেম্বরের শেষ দিকে গাইবান্ধা ফিরে আসেন তিনি। বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রস্তাবে এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের সমর্থনে শাহ্ আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন। শাহ্ আব্দুল হামিদ রাজনীতির পাশাপাশি গাইবান্ধার শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

কর্মজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য স্মরণীয় শাহ্ আব্দুল হামিদ ১৯৭২ সালে ১ মে দিবাগত রাত সাড়ে বারটায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে গাইবান্ধা পৌর গোরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। 

-জহুরুল কাইয়ুম, সম্পাদক-হৃদয়ে একাত্তর, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2020 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com