জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'সংগঠক একাত্তর : ডা. মফিজার রহমান'-'

সংগঠক একাত্তর : ডা. মফিজার রহমান

গাইবান্ধা ডট নিউজ | শুক্রবার ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

জহুরুল কাইয়ুম:

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গাইবান্ধা ডট নিউজ এর বিশেষ আয়োজন ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে ৭১র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গাইবান্ধার নানা ঘটনার স্মৃতিচারন - হৃদয়ে একাত্তর

সমাজসেবী ও রাজনীতিক হিসেবে গাইবান্ধার সর্বমহলে পরিচিত ডা. মফিজার রহমান ১৯১৪ সালে ৩০ মার্চ সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নের মিয়া বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আব্দুল কুদ্দুস মিয়া পদুমশহর ইউনিয়নের পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মাতা কছিরুননেছা ছিলেন বিচক্ষণ ও স্বাধীনচেতা। একটি রাজনীতিসচেতন, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল পারিবারিক আবহে বেড়ে ওঠেন মফিজার রহমান। কুদ্দুস মিয়ার ৭ পুত্র ও ৪ কন্যার মধ্যে ৬ষ্ঠ পুত্র ডা. মফিজার রহমান ১৯৪৮ সালে বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলার এক উদার ও সমাজসচেতন পরিবারের মেয়ে সৈয়দা রাবেয়া খাতুনকে বিয়ে করেন।

মফিজার রহমানের লেখাপড়া শুরু হয় গাইবান্ধা শহরে। স্কুল জীবনে ফুটবল খেলার প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়লে মায়ের নির্দেশে বড় ভাই আজিজুর রহমান মফিজার রহমানকে কোলকাতায় নিয়ে গিয়ে রিপন কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করে দেন। তিনি ঐ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করে কোলকাতা ক্যাম্বেল সরকারি মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৪৭ সালের পর তিনি ঢাকায় এসে মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে ডা. মফিজার রহমান গাইবান্ধায় ফিরে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

কোলকাতায় পড়াশুনা করার সময় মফিজার রহমান নানা কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। তিনি সহকারী গ্রুপ কমান্ডার এবং মুক্তি সেনা গ্রুপের সদস্য হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে হলওয়েল মুভমেন্টে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ঐ সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশেম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখের সান্নিধ্যে আসেন। সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল মিশনের নেতা হিসেবে তিন মাস বিহারের উপদ্রুত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। মফিজার রহমান ক্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক (১৯৪২-৪৬), কোলকাতা সিটি মুসলিম ছাত্রলীগের সম্পাদক এবং সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির (১৯৪২-১৯৪৭) দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সমগ্র বাংলাভিত্তিক মুসলিম চিকিৎসক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ঢাকা ফিরে মফিজার রহমান পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের পুনর্জাগরণে নেতৃত্ব দেন। তিনি ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (১৯৪৭-৪৮) প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি শেখ মুজিবের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফজলুল হক হলের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠিত হয়। রাজশাহীর নঈম উদ্দিন আহমেদকে আহবায়ক করে গঠিত প্রথম আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন- ফরিদপুরের শেখ মুজিবুর রহমান, পিরোজপুরের দবিরুল ইসলাম, কুমিল্লার অলি আহাদ, বরিশালের আব্দুর রহমান চৌধুরী, পাবনার আব্দুল মতিন, রংপুরের মফিজার রহমান, নোয়াখালীর আজিজ আহমেদ, কুষ্টিয়ার আব্দুল আজিজ, ঢাকার নওয়াব আলী, ময়মনসিংহের সৈয়দ নুরুল আলম, ঢাকা সিটির নুরুল কবির, খুলনার শেখ আব্দুল আজিজ এবং চট্টগ্রামের আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী। ১৯৫৩ সালে মফিজার রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং আজীবন এই দলের সাথেই যুক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৬৬-৬৯ সালে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং বিভিন্ন সময়ে গাইবান্ধা শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালে ডা. মফিজার রহমান গাইবান্ধার সাঘাটা-ফুলছড়ি এলাকা থেকে বিপুল ভোটে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং একাত্তরে গঠিত মহকুমা সংগ্রাম কমিটির সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি আসামের কাকড়িপাড়া মুক্তিযোদ্ধা যুব ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা চেয়অরম্যান, মুজিব নগর সরকালের উত্তরাঞ্চলীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটির আহবায়ক, রৌমারী সেক্টরের বেসরকারি গোয়েন্দা শাখার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান, গাইবান্ধার পূর্বাঞ্চলীয় গেরিলা বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান, উত্তরাঞ্চলের জন্য গঠিত রেডক্রস সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ডা. মফিজার রহমান তাঁর নির্বাচনী এলাকা সাঘাটা ফুলছড়ির পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনে কঠোর পরিশ্রম করেন। বাংলাদেশ গণপরিষদের সদস্য হিসেবে তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। রাজনীতির বাইরে ডা. মফিজার রহমান ক্রীড়াক্ষেত্রে এবং সামাজিক কর্মকান্ডেও বিশেষ অবদান রাখেন।

ডা. মফিজার রহমান ১৯৮০ সালের ১৭ অক্টোবর ৬৫ বৎসর বয়সে গাইবান্ধা শহরের মাষ্টারপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে গাইবান্ধা পৌর গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।

- জহুরুল কাইয়ুম, সম্পাদক-হৃদয়ে একাত্তর, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

জহুরুল কাইয়ুম:

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গাইবান্ধা ডট নিউজ এর বিশেষ আয়োজন ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে ৭১র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গাইবান্ধার নানা ঘটনার স্মৃতিচারন - হৃদয়ে একাত্তর

সমাজসেবী ও রাজনীতিক হিসেবে গাইবান্ধার সর্বমহলে পরিচিত ডা. মফিজার রহমান ১৯১৪ সালে ৩০ মার্চ সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নের মিয়া বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আব্দুল কুদ্দুস মিয়া পদুমশহর ইউনিয়নের পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মাতা কছিরুননেছা ছিলেন বিচক্ষণ ও স্বাধীনচেতা। একটি রাজনীতিসচেতন, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল পারিবারিক আবহে বেড়ে ওঠেন মফিজার রহমান। কুদ্দুস মিয়ার ৭ পুত্র ও ৪ কন্যার মধ্যে ৬ষ্ঠ পুত্র ডা. মফিজার রহমান ১৯৪৮ সালে বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলার এক উদার ও সমাজসচেতন পরিবারের মেয়ে সৈয়দা রাবেয়া খাতুনকে বিয়ে করেন।

মফিজার রহমানের লেখাপড়া শুরু হয় গাইবান্ধা শহরে। স্কুল জীবনে ফুটবল খেলার প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়লে মায়ের নির্দেশে বড় ভাই আজিজুর রহমান মফিজার রহমানকে কোলকাতায় নিয়ে গিয়ে রিপন কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করে দেন। তিনি ঐ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করে কোলকাতা ক্যাম্বেল সরকারি মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৪৭ সালের পর তিনি ঢাকায় এসে মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে ডা. মফিজার রহমান গাইবান্ধায় ফিরে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

কোলকাতায় পড়াশুনা করার সময় মফিজার রহমান নানা কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। তিনি সহকারী গ্রুপ কমান্ডার এবং মুক্তি সেনা গ্রুপের সদস্য হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে হলওয়েল মুভমেন্টে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ঐ সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশেম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখের সান্নিধ্যে আসেন। সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল মিশনের নেতা হিসেবে তিন মাস বিহারের উপদ্রুত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। মফিজার রহমান ক্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক (১৯৪২-৪৬), কোলকাতা সিটি মুসলিম ছাত্রলীগের সম্পাদক এবং সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির (১৯৪২-১৯৪৭) দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সমগ্র বাংলাভিত্তিক মুসলিম চিকিৎসক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ঢাকা ফিরে মফিজার রহমান পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের পুনর্জাগরণে নেতৃত্ব দেন। তিনি ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (১৯৪৭-৪৮) প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি শেখ মুজিবের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফজলুল হক হলের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠিত হয়। রাজশাহীর নঈম উদ্দিন আহমেদকে আহবায়ক করে গঠিত প্রথম আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন- ফরিদপুরের শেখ মুজিবুর রহমান, পিরোজপুরের দবিরুল ইসলাম, কুমিল্লার অলি আহাদ, বরিশালের আব্দুর রহমান চৌধুরী, পাবনার আব্দুল মতিন, রংপুরের মফিজার রহমান, নোয়াখালীর আজিজ আহমেদ, কুষ্টিয়ার আব্দুল আজিজ, ঢাকার নওয়াব আলী, ময়মনসিংহের সৈয়দ নুরুল আলম, ঢাকা সিটির নুরুল কবির, খুলনার শেখ আব্দুল আজিজ এবং চট্টগ্রামের আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী। ১৯৫৩ সালে মফিজার রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং আজীবন এই দলের সাথেই যুক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৬৬-৬৯ সালে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং বিভিন্ন সময়ে গাইবান্ধা শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালে ডা. মফিজার রহমান গাইবান্ধার সাঘাটা-ফুলছড়ি এলাকা থেকে বিপুল ভোটে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং একাত্তরে গঠিত মহকুমা সংগ্রাম কমিটির সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি আসামের কাকড়িপাড়া মুক্তিযোদ্ধা যুব ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা চেয়অরম্যান, মুজিব নগর সরকালের উত্তরাঞ্চলীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটির আহবায়ক, রৌমারী সেক্টরের বেসরকারি গোয়েন্দা শাখার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান, গাইবান্ধার পূর্বাঞ্চলীয় গেরিলা বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান, উত্তরাঞ্চলের জন্য গঠিত রেডক্রস সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ডা. মফিজার রহমান তাঁর নির্বাচনী এলাকা সাঘাটা ফুলছড়ির পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনে কঠোর পরিশ্রম করেন। বাংলাদেশ গণপরিষদের সদস্য হিসেবে তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। রাজনীতির বাইরে ডা. মফিজার রহমান ক্রীড়াক্ষেত্রে এবং সামাজিক কর্মকান্ডেও বিশেষ অবদান রাখেন।

ডা. মফিজার রহমান ১৯৮০ সালের ১৭ অক্টোবর ৬৫ বৎসর বয়সে গাইবান্ধা শহরের মাষ্টারপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে গাইবান্ধা পৌর গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।

- জহুরুল কাইয়ুম, সম্পাদক-হৃদয়ে একাত্তর, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2020 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com